মোংলা বন্দরে নিলামে তোলা হয়েছে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ৭০ গাড়ি

আমদানিকারকরা ছাড় না করায় শেষ পর্যন্ত নিলামে তোলা হয়েছে মোংলা বন্দরে আটকে থাকা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ৭০টি গাড়ি।

আমদানিকারকরা ছাড় না করায় শেষ পর্যন্ত নিলামে তোলা হয়েছে মোংলা বন্দরে আটকে থাকা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ৭০টি গাড়ি। মোংলা কাস্টম হাউজ গতকাল এসব গাড়ি নিলামে ওঠায়। এর আগে ডিসেম্বরে এগুলো বিক্রির জন্য মোংলা কাস্টম হাউজের কাছে হস্তান্তর করে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ।

গাড়িগুলো নিলামে ক্রয় করতে চট্টগ্রাম, ঢাকা, খুলনা ও মোংলা কাস্টম হাউজে দরপত্র জমা দেয়া ছাড়াও অনলাইনে বিট করেছেন ব্যবসায়ীরা। ২৯ জানুয়ারি দরপত্র খোলা হবে। তখন যাচাই-বাছাই শেষে সর্বোচ্চ দরদাতাকে প্রাপ্ত গাড়ির বিক্রয় আদেশ জারি করা হবে। মোংলা কাস্টম হাউজের সহকারী কমিশনার মো. রুবেল হাসান বণিক বার্তাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ২০ নভেম্বর শুল্কমুক্ত সুবিধায় আনা সাবেক সংসদ সদস্যের তিনটি ল্যান্ড ক্রুজার গাড়ি নিলামে তোলা হয়। তবে এখনো সেগুলোর বিক্রয় আদেশ জারি হয়নি।

মোংলা বন্দরের ট্রাফিক সূত্রে জানা গেছে, আমদানির পর ইয়ার্ড ও বিভিন্ন শেডে রাখা ৩০০ গাড়ির নির্ধারিত সময়সীমা ৩০ দিনের বেশি অতিবাহিত হওয়ায় নিলামে বিক্রির জন্য কাস্টমসের কাছে গত মাসে হস্তান্তর করা হয়। এর মধ্যে এলিয়ন, ফিল্ডার, হাইব্রিড, প্রাডো ল্যান্ড ক্রুজার, ভেসেল, হ্যারিয়ারসহ ৭০টি নামিদামি গাড়ি নিলামে ওঠানো হয়।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের উপপরিচালক মো. মাকরুজ্জামান জানান, পদ্মা সেতুর কল্যাণে যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়া এ বন্দরে গাড়ি আমদানি বেড়েছে। তবে বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে খালাসের পর দীর্ঘদিন ছাড় না করায় দ্রুত এসব গাড়ি কাস্টমসকে নিলামের মাধ্যমে বিক্রির তাগিদ দেয়া হয়।

মোংলা কাস্টম হাউজের সহকারী কমিশনার মো. রুবেল হাসান জানান, মোংলা কাস্টমসের রাজস্ব আয়ের শতকরা ৫২ শতাংশ আসে আমদানি করা গাড়ির শুল্ক থেকে। তবে আমদানিকারকরা সময়মতো গাড়িসহ অন্যান্য পণ্য ছাড় না করার কারণে তা নিলামযোগ্য হয়। সেই ধারাবাহিকতায় দীর্ঘদিন পড়ে থাকা ৩০০ গাড়ির মধ্যে ৭০টি বিলাসবহুল গাড়িসহ অন্যান্য পণ্য নিলামে তোলা হয়েছে। বাকি ২৩০টি গাড়িও পর্যায়ক্রমে নিলামে ওঠানো হবে।

মোংলা কাস্টম হাউজের নিলাম শাখা জানায়, গত ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১৪টি নিলামের মাধ্যমে ২ হাজার ২০০ গাড়ি নিলামে তোলা হয়। এর মধ্যে মাত্র ২০০টি গাড়ি বিক্রি হয়েছে।

আরও